রিফাত হাসান > Interviews
Interviews
আমার কাছে ধর্মীয় মূল্যবোধ গুরুত্বপূর্ণ, কিন্তু একটা ধর্মরাষ্ট্র তৈরির বিরোধী আমি । রিফাত হাসান

আদর্শ তো গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু, ক্ষমতা আদর্শ দিয়ে চলে না, আদর্শের চাইতেও, তাকে একটা ‘আদর্শবাদ’ তৈরি করতে হয়। এইটারে একটা হেজেমনিয়াল টুলে রূপান্তর করতে হয় প্রথমে। এই আদর্শবাদগুলো, বা আদর্শভিত্তিক সমাজকাঠামো রিজিড চরিত্রের, কনফিউজিং ও নিপীড়নমূলক ঘটনাও। যেমন, এনিমেল ফার্মের শুয়রেরা, সম্ভবত সেভেন কমান্ডমেন্টস ব্যবহার করত অন্য পশুদের উপর ডমিনেন্সির বৈধতা তৈরির জন্য, শেখ হাসিনা যেমন মদিনা সনদ ও মুক্তিযুদ্ধ ব্যবহার করতেন জনগণের ওপর ডমিনেন্সি বজায় রাখার বৈধতা তৈরির জন্য। আদর্শভিত্তিক সমাজকাঠামো মানে কিন্তু এই রিজিড অবস্থাই।
Interviews, Speeches
আমার ইসলাম প্রশ্ন

তো, ফরহাদ ভাই যখন বলেন, আমাদের স্বাধীনতা অর্জনের অপরাপর লক্ষ্যগুলোর একটা রবীন্দ্রনাথকে অর্জনও। তার বিপরীতে, আমি, প্রায় প্রতিদিনই রবীন্দ্রনাথ ও বিএসএফ এর খুনোখুনি পড়ি, সীমান্তে। মানে, ফরহাদ ভাইয়ের এই রক্তের দাগ মুছে রবীন্দ্রপাঠটির সাথে আমার সীমান্তে আমাকে প্রায়ই রক্ত দিয়ে লড়তে হয়। মানে, মুক্তিযোদ্ধারা যে মুক্তিযুদ্ধ কইরা রবীন্দ্রনাথকে অর্জন করেছেন, ফরহাদের মতে, সেই রবীন্দ্রনাথই আমারে রাষ্ট্রে আর সীমান্তে এই মুহূর্তে লাঠিয়াল হয়ে জমিদারি করেন। নিশ্চয়ই, ফরহাদ ভাইয়ের সেই জমিদার রবীন্দ্রনাথ নিয়ে ক্রিটিক আছে, রক্তের দাগ মুছে রবীন্দ্রপাঠেই। সেই ক্রিটিকের সাথে আমার এই আলাপটাও তোলা জরুরি মনে হল। আমার এই আলাপে বেশ প্রশ্ন থাকবে। বা প্রশ্নগুলোই আলাপ। আলাপ ইটসেলফ সুরাহা না।
Interviews
রিফাত হাসানের সঙ্গে

এটাকে আমি, দর্শনও না বলে, কোন কিছু না বলে, বলি যে, আমাদের ভ্রমণটা। মানে, আমি আমাদের ভ্রমণটারে ইগনোর করে কোন কিছু করি নাই শেষ পর্যন্ত। এটাকে শুধু দর্শন বলা যাবে না। তবে এইটা দার্শনিক ভ্রমণও তো।
Interviews
মানতিকুত তায়ের: ইন্টারভিউ উইথ বানান

কবিতা জিনিসটার ব্যাপারে আমাদের এখানে অনেকরকম স্বপ্ন-কল্পনা আছে। ধরেন, একটা ফর্ম কল্পনা করে নিই, যে, আমরা এখানে না যাওয়া পর্যন্ত কবিতা হবে না। তো, মানুষের, মানে, মানুষ যদি কোন একটা গন্তব্যে পৌঁছে যায়, সেইটারে আর কবিতা বলা যাবে না। আপনি দেখবেন, এটা একটা বিখ্যাত, ফরিদুদ্দিন আত্তারের একটা বিখ্যাত বই আছে, মানতিকুত তায়ের, তো এইটা হচ্ছে একটা জার্নি, অনেকগুলা পাখির একটা জার্নি, তো তারা যখন তাদের গন্তব্যে পৌঁছে যায়, তারা আসলে এই জার্নির কথাই ভুলে যায়। তাদের তখন যেটা হয়, সেটা হচ্ছে, তারা টের পায় যে -তারা নিজেরাই সী-মোরগ! তারা যায়ই কিন্তু সি-মোরগের জন্য। সি-মোরগের সাথে দেখা করার জন্য। কিন্তু ওরা…
Interviews
শাহবাগ আন্দোলন যদি যুদ্ধাপরাধ বিচারের একটা অবজেক্টিভ ক্রিটিক তৈরি করতে পারত

শাহবাগ আন্দোলন যদি যুদ্ধাপরাধ বিচারের একটা অবজেক্টিভ ক্রিটিক তৈরি করতে পারত, আমরা সবাই শাহবাগ আন্দোলনকে ওয়েলকাম জানাতাম। এবং এইটা একটা খুব গুরুত্বপূর্ণ কাজ হইত। কারণ হচ্ছে কী, যুদ্ধাপরাধ বিচারের ব্যাপারটা হচ্ছে, সবসময় আমি বলি, সেটা হচ্ছে, একাত্তর সালে যেসব অমীমাংসিত বিষয় ছিল, অমীমাংসিত বিষয়গুলো যদি আমাদের এখানে, আপনার একটা অবজেক্টিভ ভাবে মীমাংসা করতে না পারি আমরা, আমরা যদি বলি যে, আমরা আসলে জাতীয়তাবাদের যেসব পেনিক ব্যাপার আছে এগুলোর ধোয়া না তুলে, এইটার তো সমাধান করে ফেলতে হবে। যদি আমরা বাংলাদেশ রাষ্ট্রকে নিয়েও চিন্তা করি, বাকি সব কথা বাদ, তো এগিয়ে যাওয়ার একটা প্রশ্ন আছে। ঠিক না?
Interviews
‘নিরন্তর বোঝাপড়া তৈরির জার্নি বলতে পারেন’

এই বইয়ের লেখাগুলো ইতিহাসের ভেতরে বসে, ইতিহাসের নামতা গুনতে গুনতে, সেই ভ্রমণের অংশ হিসেবেই লিখিত হইছে। ফলত এই সব লেখা ইতিহাসের সাথে লেখকের ডায়লগ ও বোঝাপড়ার অংশ। রাষ্ট্র ও রাজনৈতিকতার দিক থেকে বাংলাদেশ ও এ অঞ্চলের মানুষের মধ্যে যে বিকার ও সঙ্কট উপস্থিত, তার একটা বাছ-বিচার করার চেষ্টা করেছি বইটির ভূমিকা ও অন্যান্য লেখালেখিতে। কর্তব্য, নীতি, দর্শন ও সমাজতত্ত্বের দিক থেকেও আলাপ তোলার চেষ্টা আছে। কোনো পাঁড় একাডেমিক আলাপ নয়। ডায়লগ ও সম্পৃক্ততার জায়গায় নিরন্তর বোঝাপড়া তৈরির জার্নি বলতে পারেন। নাম প্রবন্ধটি এ ক্ষেত্রে সূত্র হিসেবে ভাবা যেতে পারে- সম্পর্ক, বন্ধুত্ব ও রাজনীতি।
